রবিবার, ৫ জুন, ২০১৬
মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৪
বি জে পি কে আমার নমস্কার। অবশ্যই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে
বি জে পি শেষ পর্যন্ত তাঁদের নির্বাচন মেনিফেস্ট প্রকাশ করলো বাবরী মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। এই ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্য বহন করে কয়েকটা কারনে। প্রথমত তাঁরা যে দুই নৌকায় পা রাখছেনা সেটা পরিষ্কার। অর্থাৎ তাঁদের মধ্যে হিপক্রেসি নেই। এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখে।
দ্বিতীয়ত, তাঁদের আত্ম বিশ্বাস এখন যে অনেক উঁচুতে, সেটা অস্বীকার করার কনও সুযোগ নেই। তাঁরা নিশ্চিত যে, তাঁরা সম্ভবত একক ভাবে খমতায় আসছে! এর অর্থ, কংগ্রেস এবং অন্যান্য দলগুলো প্রকাশ্য মৌলবাদী রাজনীতির কাছে হেঁড়ে গেলো!
এর অর্থ সংখ্যা গরিস্ট ভারতীয়, হিন্দু জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। ধর্ম নিরপেক্ষতায় না।
তৃতীয়ত, হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও মৌলবাদ এখন থেকে ভারতীয় রাজনীতিতে প্রকাশ্যই সদর্পে বিচরণ করবে, যা ছিল এতো দিন পর্দার অন্তরালে।
চতুর্থত, পৃথিবীর বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রকাশ্য মৌলবাদী রাজনীতি এই উপমহাদেশে ব্যাপক পরিবর্তনের আভাষ দিচ্ছে বলেই মনে হয়। যদি বি জে পি ক্ষমতায় গিয়ে সত্যিই তাঁদের এই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে তবে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মৌলবাদী দলগুলো অনেক শক্তিশালী অবস্থানে চলে যাবে বলে আশংকা করা যেতেই পারে। তাঁরা বোলতেই পারে, “এই মুহূর্তে দড়কার,দাড়িওয়ালা সরকার”, “ভাজাকাররা দেশ ছাড়ো, নিজামির পা ধরো”!
আমরা কি অনুমান কোরতে পারছি কি হতে যাচ্ছে উপমহাদেশের ভবিষ্যৎ?
গত ৬৭ বছরে কংগ্রেস যতদিন ক্ষমতায় ছিল,৭০০ এর অধিক হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ভারতে হয়েছে!প্রতিটা দাঙ্গায় কম বেশী মুসলমান প্রান দিয়েছে ও ঘড় ছাড়া হয়েছে।৭ মাস আগে মুজাফফর নগরের দাঙ্গায় অন্তত ১৫০০ মুসলমান জীবন দিয়েছে! এখনো পর্যন্ত ঘরছাড়া ৫০,০০০ এর বেশী! বিস্ময়কর সত্যি হচ্ছে এই দাঙ্গা কংগ্রেস ও বি জে পি তাঁদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে উস্কে দিয়ে এখনো ফায়দা হাসিলের চেস্টা করছে! তুলনায় বাংলাদেশের হিন্দু- মুসলিম দাঙ্গার সংখ্যা গত ৪২ বছরে ১০ টাও না! শুধু তাই না, এখন পর্যন্ত এক জন হিন্দু এই দাঙ্গায় প্রান হারিয়েছে বলে কনও রেকর্ড নেই! অথচ, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদ ও জঙ্গিদের উর্বর স্থান বলে ভারতীয় প্রচারে এই দেশের হিন্দুরাও কম যায় না। এই দেশের হিন্দুদের সংখ্যা ৪ শতাংশের নীচে চলে আসার কারণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও মৌলবাদের অত্যাচার বলে সব জ্ঞানী, মহাজ্ঞানী একমত। তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, পরিসংখ্যানের হিসাবে ভারতের অবস্থাকে কি বলবো? এখানকার টা যদি এতোই ভয়াবহ অবস্থা তইরী করে, তবে ওখানে কি অবস্থা? এখানকারটাকে যদি দাঙ্গা বলি, তবে ভারতেরটাকে কি বলা যায়? শুধুই দাঙ্গা?
ভারতে মুসলমানরা গত ৬৭ বছর ধরেই ভুল করে আসছে, ঠিক এই দেশের হিন্দুদের মত! ওখানে মুসলমান রা সবসময়ই কংগ্রেস কে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ মনে করে সাপোর্ট করেছে দেশ ভাগের পর থেকেই! আর এখানে হিন্দুরা ঠিক এই কাজটাই করে আওয়ামীলীগকে বুকে তুলে নিয়ে। তাঁরা কখনোই বুঝতে চায় নাই যে, কংগ্রেস ও আওয়ামীলীগ বস্তুত অপ্রকাশ্য শত্রু! এই দুই দল সঙ্খালুঘুদেরকে শুধু মাত্র তাঁদের ক্ষমতায় যাবার ঘুঁটি হিসাবেই ব্যাবহার করে আর পিছন থেকে ছুড়ি মারে! ইতিহাস কি আমার কথার বিপক্ষে সাক্ষী দিতে পারবে?
ভারত যে, ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে একটা সত্যিকারের হিন্দু রাষ্ট্র হিসাবে নিজেকে এতদিন গুছিয়ে নিয়েছে, সেটাতো এখন দিনের আলোর মত পরিষ্কার। এই ধর্ম নিরপেক্ষতার বুলী যে, প্রতারণার মিথ্যা কূট কৌশল, সেটা এই দেশের তথাকথিত সুশীল, সুজন, শিক্ষিত ধর্ম নিরপেক্ষতার লেবাস পরা মানুষগুলো কবে স্বীকার করবে? অরুদ্ধতি রায়ের একটা ভিডিয় আমি মাত্র কয়েক দিন আগেই আমার ফেসবুক টাইম লাইনে দিয়েছিলাম https://www.youtube.com/watch?v=Ej762GCi9Zc&feature=share , যেটাতে উনি প্রমাণ সহ ব্যাখ্যা করেছেন যে, ভারত আসলে একটা হিন্দু রাষ্ট্র। কিন্তু এই দেশের প্রায় সব শিক্ষিত মানুষগুলো ক্লীবলিঙ্গ বিশিষ্ট কি না, তাই ইসলাম ধর্ম নিয়ে কথা বলা, বা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ নিয়ে কথা বলাটাকে মধ্যযুগীয় বর্বর মানসিকতা ও দেশদ্রোহিতার প্রকাশ মনে করে!
বি জে পি কে আমার নমস্কার। অবশ্যই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে! ভণ্ডামি না করার জন্য। তাঁরা সত্যিই যা ও যে দর্শন নিয়ে তাঁদের রাজনীতি, সেটা এই ভাবে নির্বাচনের আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রকাশ করার জন্য সুচারু প্রস্তুতি ও সংগঠিত এবং অত্যন্ত সৎ সাহস ও বলিষ্ঠ চারিত্রিক কঠিনতার দড়কার! বি জে পি প্রমাণ করেছে, সেটা তাঁদের আছে! আর যাদের এটা আছে তাঁরা আর যাই হউক হিজড়াদের মতো ছোবড়া দিয়ে বানানো স্ফীত স্তন দেখিয়ে নর্তন কুর্দন করে বাহাদুরী প্রকাশ করবে না। এখন যেমন করে নাই, ক্ষমতায় আসলেও করবে না!এবং আমার বিশ্বাস ওখানে মুসলমানরা আগের থেকে অনেক ভালো থাকবে। মুসলমানদের উচিৎ একতা বদ্ধ ভাবে বি জে পিকে ভোট দেওয়া। প্রকাশ্য শত্রু চোখের সামনে থাকলে অনেক নিরাপদ থাকা যায়। অপ্রকাশ্য শত্রু কংগ্রেসের পিছনে ছুড়ির ঘা দিয়ে মরিচের মলম লাগানোর যন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকতে পারবে!
এই দেশের মানুষ কি বি জে পি থেকে (ভারত) থেকে শিক্ষা নিবে?
নামটা মুসলমান কারণ,সংখ্যাগরিস্টের সুবিধা আদায় করা যাবে এবং পুড়তে যেহেতু ভয় পায়, তাই দাফন হবে! বাকী সব কিছু যে ঐ মধ্য যুগের বর্বরতাকে হারিয়ে প্রাকঐতিহাসিক যুগের অসভ্য, ইতর মানসিকতা ও কাজ সেটা ভাববার সময় নাই!মিথ্যা,কুৎসা,অন্যের জায়গা,জমি,টাকা,সম্পদ জোর দখল,লুণ্ঠন,যৌতুক,প্রতারণা,ধর্ষণ,মেয়েদেরকে সম্পত্তির অধিকার থেকে ছলে বলে বঞ্চিত করা ইত্যাদি সব কিছুই এখন গা সওয়া এই সমাজে! এই গুলো অন্যায় না। অন্যায় হচ্ছে টুপী পরা,দাড়ি রাখা, মসজিদে মাইকে আজান দেওয়া। অসৎ উপার্জন কোরতে না পারায় গরিবী হালে জীবন যাপন যে করে সে, স্রেফ “বোকাচোঁদা”! আর যার ব্যায় মায়নার থেকে ১০০ গুন বেশী,যে মানুষের বেঙ্কে গচ্ছিত রাখা টাকা লুটে নিয়ে পাজেরো হাকাচ্ছে ফ্লাট এর মালিক হচ্ছে,খাদ্যে ভেজাল দিচ্ছে,কর ফাঁকি দিচ্ছে,ছেলে মেয়েদের কে তথাকথিত আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত কোরতে প্রায় উলঙ্গ কাপড় পরিয়ে মাদ্রাসায় না দিয়ে ইংলিশ মিডিয়াম আর বাংলা মিডিয়ামে স্কুলে দিচ্ছে সেই আধুনিক,বুদ্ধিমান!এই হচ্ছে আমাদের মূল্যবোধ! শুধু তাই না,এই মূল্যবোধ আমরা অত্যন্ত অহঙ্কারের সাথে উচ্চকিত কণ্ঠে ছড়িয়ে দিচ্ছি,শিক্ষা দিচ্ছি আমাদের প্রজন্মকে!
ইউনুস সুদী ব্যাংক চালায়, তাই সে সুদ খোঁড়! আমি টাকা রাখি সুদী ব্যাঙ্কে, কিন্তু ইসলামী ব্যাংক উচ্ছেদে প্রথম সারিতে থাকি, তাই আমি প্রগতিশীল !
মুসলমানরা দেশ ভাগ করার জন্য এক মাত্র দায়ী, এই মিথ্যাটা প্রতিষ্ঠিত করা সুশীল আর অধ্যাপকের তকমা পাওয়ার একটা বড় মাধ্যম। কিন্তু ঐ দিকে সরোজিনী নাইডু, অরুদ্ধতি রায়, খুশবন্ত সিং ইত্যাদি আরও অনেকে বলছে, না............... বোম্বের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার জন্য বল্লভ ভাই প্যাটেল দায়ী!ভারত ভাগের জন্য নেহেরুর কংগ্রেস মূল আসামী! কিন্তু কে শুনে কার কথা। শুনলে যে অনেক তোকমা খুঁয়াতে হবে! রুজি বন্ধ হবে। দেশে যে তখন মাথায় কাপর ঢেকে চোলতে হবে!সর্বনাশ! ইসলাম????? কভু না, কাভি না!!!!!!
ইসলাম আসলে যে,লজ্জায় মুখে রুমাল বেঁধে আসল,নকল,পারাতো,খালাতো,চাচাতো,মামাতো শালী পরিবেষ্টিত হয়ে বিয়ে করা যাবে না! প্রথম রাতেই সেই লাজুক জামাইয়ের দুই ইঞ্চি লিঙ্গ দুই ফুট প্রমানের তাড়নায় বউয়ের গলা টিপে যৌতুক আদায় কি করে হবে? উল্টাতো বৌকেই দেন মহর দিয়ে বৌয়ের মতের অপেক্ষায় থাকতে হবে! অসম্ভব!!!!!!!!!!! কভু নেহি, কাভি নেহি!
বঙ্গ পুং দের লজ্জার তো শেষ নাই! শাশুড়ি পাতে খাবার তুলে না দিলে লজ্জায় খুদা নিয়ে বঙ্গের পুংরা নিজ হাতে খাবার তুলে নিতে পারে না! কিন্তু ঐ দুই ফুটি পুং রাই ১২ মাসের মধ্যে ৬ মাস, না হয় পুরদস্তর, শ্বশুরের কৃপায় শাশুড়ির ঘড়ের পাশে ঘড় তুলে থাকতে বীরত্বে ফেটে পড়ে! ইসলাম থাকলে এটা হবে? যোগ্য তায়,সততায় ভাত কাপড় গাড়ি বাড়ি পাবো? তো? কভু নেহি, কাভি নেহি! ইসলাম মধ্যযুগীয়, অসভ্য!
সিগমন্ড ফ্রয়েডের কথা মানার কি দরকার? সুন্দর মেয়ের চেহারা দেখেও যে যৌন শুখ পাওয়া যায়, ধর্ষণের গল্প শুনেও যে রতি ক্রিয়া অনুভব হয় ! তাই হি.........জা............ব???????? পরাধীনতা!
টাইট ফিটিং পরবো, ডি জে পার্টি করবো! আমি স্বাধীন! এইডস থেকে বাঁচতে কনডম ব্যাবহার করুন। আমি আধুনিক! তেতুলের স্বাদ ছেলেরা কেন পাবে, ওটাতো আমাদের! সুতরাং শফি হুজুরের ফাঁসি চাই, দিতে হবে! আমিতো মুক্ত, আমার শরীর আমি যাকে ইচ্ছা তাকে দিব, যখন ইচ্ছা তখন দিব যেভাবে ইচ্ছা সে ভাবে দিব............ আমি নারী, নারীই শক্তি! যেন নারী আর পুরুষ দুজনে দুজনার প্রতিদ্বন্দ্বী!
দাড়িতে মেহেদী লাগিয়ে মসজিদের মুতয়াল্লি হওয়া একজন প্রাক্তন ঘুষখোঁড় সরকারী চাকুরীজীবী বা দুর্নীতিবাজ ব্যাবসায়ি বা রাজনীতিবিদের অধিকার! যার জানা নাই সঠিক নিয়মে নামাজ আদায় করা ও সঠিক উচ্চারনে কোরআন পরার গুরুত্ব। ইমাম নামাজ শেষে দোয়া না করলে বা মিলাদে সম্মতি না হলে, ইমামের দাফন করে দিতে যারা অতি মাত্রায় পারঙ্গম!এই দেশে ইসলাম পূর্ণ মাত্রায় বহাল! নিবেদক; সচিব!
দোয়া, তাবিজ, ঝাঁর-ফুক, ও ব্যাটা কাফের, সে কাফের, বিশ্ব নবীর খাঁটি প্রেমিকের সনদ সপ্নে পাওয়া আমি ঘোষণা করছি,অমুক অমুক মুনাফেক,নারীদের স্থান পুং এর নীচে! পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা যেহেতু ঈমানের অঙ্গ, সেহেতু অইসশরিয়া রাইয়ের লাক্স সাবানে পরিষ্কার হয়ে আমার মুরিদ হয়ে জান্নাত নিশ্চিত করো! নারায়ে তাকবীর, আল্লাহ্ হুয়াকবার! জিহাদের জন্য তইরী হন, বলছে পীর চাঁদে মুখ দেখিয়ে। নামাজ গোল্লায় যাক, হালাল রুযী কাফনে ঢাকা থাক।এই না হোল ইসলাম!
এতো খারাপ খারাপ ফালতু কথা বললাম, আমাদের কি ভালো কিছু নাই? আছে, অবশ্যই আছে...... আমরা খুব যত্নশীল ! অন্তত দুটা কাজে। যত্ন করে কাপড়ের চাদর পড়িয়ে কোরআন কে মাথার উপড়ে, আরও উপড়ে যেখানে হাত যায় না সেখানে টুলে দাড়িয়ে কোনওমতে! পাছে কেউ যদি ফেলে দেয় নতুবা ওজু না করেই ধরে! নাউজুবিল্লাহ!নাউজুবিল্লাহ!আর কনও কারনে ডিশের লাইন কেটে গেলে,খুব যত্ন করে সময়ের অপচয় না করে ডিশের প্রভাইডারকে তাড়া দেই, পাছে মহাভারত আর রামায়ণ, আকবর ও যোধা বাঈয়ের মিথ্যা সিরিয়াল মিস না হয়ে যায়!যেখানে দস্যু রাজপুতদের কে মোগলদের উপড়ে স্থান দেবার ইতিহাস রচনা হচ্ছে!
বি জে পি কে আমার নমস্কার। অবশ্যই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে!এই দেশের মহা মানবদের সম্ভাব্য শিক্ষা নিজ দায়িত্তে তুলে নেবার জন্য।
মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
কতো রঙ্গ ওগো অঙ্গে........... টাটা এখন আবার আসবে,এবার গ্যাস পাওয়া যাবেই!
ভিডিয় টা প্রথম আপলোড হয় ১৪ ই জানুয়ারি, ইউ
টিউবে! সরকার এক মাস এটাকে সুন্দর মতো তা দিয়ে, ডানা মেলিয়ে প্রকাশ হতে দিলো। এ্যারিজোনায়
আপলোড!টাঙ্গাইলে আসামী গ্রেফতার! আসামী
বাঁশের কেল্লার এ্যডমিন! বি এন পি যাদের তথাকথিত রক্ষক!
চেতনাবাজরা তো লম্ফ ঝম্ফ কোরতে বিন্দু মাত্র
মাত্র দেরি করে নাই, এখন তো তাঁরা আকাশে উড়বে বলাই বাহুল্য............... এক ঢিলে
অনেক পাখী কুপোকাত!
টাটা গ্যাস না পেয়ে রণে ভঙ্গ দেবার কয়েক মাস
পরেই জানা গেলো দেশে গ্যাসের মজুদ প্রায় শেষ! অর্থাৎ আমাদেরকে বিশ্বাস কোরতে হয়েছে
টাটার মতো একটা ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান সার্ভে না করেই তাঁদের প্রজেক্ট প্রোফাইল
বানিয়েছিল তাই বুঝে নাই তাঁর গ্যাস পাবার সম্ভাবনা নাই! যদিয় ঐ রকম একটা প্রজেক্ট
প্রোফাইল বানাতে এবং সেটা নিয়ে দেন দরবার কোরতে কয়েকশো কটি টাকা খরচ!
তাঁর রেশ গত প্রায় ছয় বছর ধরে চলছে! বাসা বাড়ি,
কল কারখানায় গ্যাস দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে এই অজুহাতে! অনেক কল-কারখান সম্পূর্ণ সেটআপ
হয়ে মেশিন আনার পরও চালু কোরতে পারেনাই গত ৬ বছরে! রিয়েল এস্টেট এবং ডেভেলপারদের
ব্যাবসায় হাতে হারিকেন! বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না ঠিকমত, ঐ একই কারন দেখিয়ে!সার
কাড়খানা সার উৎপাদন কোরতে পারছেনা তো কি হয়েছে, আমদানি বাড়িয়ে কৃষকদের মুখে হাসি
ফুটিয়েছে? কৃষকদের এখন সুদিন,যা বেয়াড়ার মতো শেষই হতে চাচ্ছে না! ব্যাংকের টাকা
শোধ কোরতে না পেরে অনেক ব্যাবসায়ি চরম খারাপ অবস্থায় থেকে দেশ ছেরেছে না হয় অসুস্থ
হয়ে বিছানায়! কয় জন এর খবর রাখে? আর এর মধ্যে কিছু অসাধু ও ঋণ খেলাপি রক্ত বহনকারী
সুবিধাবাদী ব্যাবসায়ি একের পর এক সুদ মউকুপ করিয়েছে ব্যাংকের জাতীয় চেতনাজীবিদের
দ্বারা! তাঁদের এখন শোনৈ শোনৈ অবস্থা। তবে কটি কটি সাধারণ মানুষ তাঁদের সঞ্চিত
সামান্য কয়টা টাকা ক্ষতি হোলে তাঁর খবর কে পাবে আর কেইবা নিবে?
অগভীর সমুদ্রের ৪ ও ৯ নম্বর ব্লকে তেল-গ্যাস
অনুসন্ধানে ভারতীয় কোম্পানি ওএনজিসি বিদেশ লিমিটেডের (ওভিএল) সঙ্গে দুটি উত্পাদন অংশীদারি
চুক্তি (পিএসসি) সই করেছে পেট্রোবাংলা। তাদের সঙ্গে যৌথ অংশীদার হিসেবে আছে অয়েল ইন্ডিয়া
লিমিটেড (ওআইএল) এবং বাংলাদেশের বাপেক্স। http://www.prothom-alo.com/
টাটা এখন আবার আসবে, এবার গ্যাস পাওয়া যাবেই!
প্রায় দুই মাস আগে আমি বলেছিলা,সামনে অনেক অস্বাভাবিক
ঘটনাই ঘটবে,কারন দেশ চলছে চাণক্য নীতির ধারকদের দিয়ে। আমার এই লেখাটা তখন http://www.somewhereinblog.net/blog/samaj/29915389 অনেকের বুঝে আসে নাই, অনেকের গাত্র দাহ করেছিলো,অনেকের কাছে ফালতু মনে
হয়েছিলো,যেমন অনেকে শুধুই হাউকাউ মনে করেছিলো!? আর অধিকাংশই মনে করে আমার তাতে কি?
আমি তো ভালো আছি! ভালো না? ভালোই তো...............
এই দেশের ৮৭% হিজড়া লিঙ্গ পরিবর্তন করে
পুরুষ না হোলে সামনে ধর্ষণের আরও বাকী আছে..................!!
মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৩
মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩
আর আমরা কোরাস গাইবো “ কিছুই কি করার নেই আমাদের...... কিছুই কি করার নেই আমাদের......”
বোন সাহানা কে বাঁচতে সাহায্য
কোরতে যেয়ে, ৬০ ভাগ পুড়ে যাওয়া ঝলসানো শরীর নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে কায়কোবাদ
আজিজ!? দেরি হয়ে যাবার আগে আওয়াজ তুলা এবং শক্ত অবস্থান নেওয়া জরুরী, ওনাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিয়ে যেতে। সামান্য সর্দি- কাশী হলে নেতারা
এবং ব্যবসায়ীরা সিঙ্গাপুর আর ভারত দৌড়ায়.........
সাভারের মারাত্মক আহতদের বিদেশ
নিতে কার্পণ্য মানবো কেন?
আহতদের উন্নত চিকিৎসার
যাবতীয় খরচ তো রানার সম্পত্তি এবং তার জারজ পিতা মুরাদ জং এর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
করে সহজেই মেটানো যায়।
৫ গার্মেন্টস মালিককে ও
বিজেএমইএ কে বাধ্য করা হউক পিতা-মাতা হারানো
ছোট ছোট বাচ্চা গুলোর আগামী ১৬-১৮ বছর ভরন- পোষণ এবং পড়াশোনার ব্যবস্থা নিশ্চিত কোরতে।
নতুন প্রজন্ম, নতুন প্রজন্ম বলে যারা মুখে ফেনা তুলে ফেলেছে সে সমস্থ শাহাবাগি
এবং হেফাজতে ইসলাম আন্দোলনকারীদের বলছি, আপনারা দেশের সমস্ত তরুণ
সমাজের মুখপাত্র হবার দাবী করেছিলেন,এটাই সময় ও সুযোগ নিজেদের সততার প্রমাণ দেয়ার! আসেন আবার
মিলিত হই শাহবাগে ও শাপলা চত্বরে এবং বজ্র কণ্ঠে আওয়াজ তুলি উপরিউক্ত দাবীর পক্ষে।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস এটা ১৬ কোটি মানুষের দাবী...... যে দাবীর সাথে ব্যক্তিগত পাওয়া
না পাওয়ার কনও সম্পর্ক নেই.........
কথা দিয়ে না, বাস্তবে কাজ করে, যে ত্যাগ ,
দেশপ্রেম ও মানবতার নিঃস্বার্থ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ এবং সরকারী উদ্ধারকারীরা নিজের জীবন বাজী রেখে,এটা তাঁদের দাবী.........
ভাবছি, করছি, অমুক-তমুক ইত্যাদি বলে যদি ১০ টা দিন পার কোরতে পারেন আপনারা, তবে সবই আগের মতই ইতিহাস হয়ে যাবে......... আবার একটা বড় দুর্ঘটনা দ্রুতই
দরজায় কড়া নাড়বে, যার কারণ হবে, লোভ, অবিবেচনা, বিবেকহীনতা আর খামখেয়ালীপনা......... আর আমরা কোরাস গাইবো “ কিছুই কি করার নেই আমাদের...... কিছুই কি করার নেই আমাদের......”
সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৩
যা হবার তাই ত হচ্ছে! না কি অন্য কিছু হচ্ছে?
একাত্তরের যুদ্ধটা আমাদের এই বাংলাটার জন্য ছিল একটা ভূমিকম্প। ভূমিকম্প হলে যেটা হয় আর কি, প্রচণ্ড কম্পন ও দুলুনি.........
উপরের মাটি নীচে আর নীচের মাটি উপরে......... যারা ছিল সম্ভ্রান্ত, বিত্তবান আর প্রকৃত জ্ঞানী,সমাজ সেবক, সৎ নেতা তারা ক্রমান্বয়ে চলে গেল নীচে।
আর ধীরে ধীরে উঠে আসলো অজ্ঞ, অসৎ, অলস,অল্প শিক্ষিত, অশিক্ষিত, ঠগ, জোচ্চোর সুবিধাবাদীরা ।৮০ র দশক পর্যন্ত এই উঠে আসাটা ছিল ধীর, ৯০ এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ব্যাপক ভাবে ............ নেতা হয়ে! সমাজপতি হয়ে অফিসের বড় বড় কর্তা হয়ে!
এমতাবস্থায় যা হবার তাই তো হচ্ছে! না কি অন্য কিছু হচ্ছে?
এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি.........
প্রসঙ্গ-১
সৈয়দ আশরাফ সাহেব ক’মাস আগে উনার মহামান্য নেত্রীর ঊপস্থিতিতে বলেছিলেন ( সব টি ভি চ্যানেল খবরে প্রচার করেছিলো), নোবেল প্রাইজ? আরে আমি যখন ইংল্যান্ডে ছিলাম তখন দেখেছি, ঐ রকম প্রাইজ কেনা-বেচার জন্য রাতারাতি ভুঁইফোড় সংগঠন গজিয়ে যায়। ঊনার এই অতি মূল্যবান তথ্যটা যখন উনি ঐ সভার মাঝে বিগলিত হয়ে দান করছিলেন, তখন উনার নেত্রীর হাসি দেখে বিভ্রান্ত হই! মূল্যবান তো দুইটাই! কোনটাকে বেশী ভাববো!? তথ্যটা না কি নেত্রীর হাসি...... নেত্রীর হাসি না তথ্য!? জন্মিন দেশে যদাচার, নেত্রীর হাঁসিটাকেই শেষ পর্যন্ত বেছে নিতে বাধ্য হলাম.........
ওবায়দুল কাদের সাহেব মাত্র ক’দিন আগে বানী দিলেন ( এটাও সব টি ভি চ্যানেল খবরে প্রচার করেছিলো)......... বিশ্ব ব্যাংকের উচিৎ না গুটি ক’এক দু’চার জন দুর্নীতি বাজদের কথা চিন্তা করে পদ্মা সেতুর টাকাটা আটকে দেওয়া.........
আহা এমন বানী উনি দিলেন যে আমাদের নবী পয়গম্বর সমতুল্য সৎ, বিজ্ঞ ও দেশ প্রেমী বুদ্ধিজীবীদের কলম চালানো আটকে দিলেন! অবস্থা এমন যে সব বুদ্ধিজীবীরা হাতে থালা নিয়ে পথে নামতে দেরি! যাও হলমার্ক ছিল, কিন্তু সেটা নিয়েও তো বেশী কিছু লেখা যাচ্ছে না! থলের বাঘ যে হালুম করে খেয়ে নিলো বোলে....... কিন্তু ঐ যে বলেছি উনারা নবী- পয়গম্বর সমতুল্য! বিধাতা কি মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারে উনার অলিদের থেকে! পারে না.........
পারে না বলেই বৌদ্ধদের উপর হামলে পরল কিছু হায়না?
প্রসঙ্গ-২
যে কেউ ইসলামকে আক্রমন করলে তার জন্য সমগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীর উপর আক্রমন করার অনুমতি কেউ কাওকে দেয় নাই।সবার জানা থাকাটা খুব জরুরী যে, "কুরআন" না "হাদিস" এই ক্ষমতা কাওকে দিয়েছে । ঐ সকল মুসলমান নামধারী অশিক্ষিত, অজ্ঞ মুসলিম রক্ত গরম তখনই করে যখন তাদের ফরজ-সুন্নাহ কামাই দেয়ার পাল্লা ভারী হয়ে যায়। এটা সুস্পষ্টভাবে "ইসলামের আর শারী'য়ার" লংঘন।
এটা নিয়ে বুদ্ধিজীবীদের তো এখন শোণই শোণই অবস্থা, বৃহস্পতি তুঙ্গে......... সভ্য হবার দৌড়ে কেও কারও পিছে না থাকার প্রতিযোগিতায় বেচারা উসাইন বল্ট এর কেরাবিয়ান সমুদ্রে সমাধি!
নদীর ওপারে মুসলমানদের কচু কাটা হচ্ছে, বাদ যাচ্ছে না শিশু,মেয়ে, বৃদ্ধ............ অত্যাচারিত, নিগৃহীত, সহায় সম্বলহীন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষগুলো একটুখানি বাঁচার আশায় নদীর এই পারে আসতে চাচ্ছে......... আমরা ধাক্কা দিয়ে নদীতে ঠেলে দিচ্ছি! ভুলে গেলাম ৭১’এ এমনই অসহায় হয়ে লক্ষ লক্ষ এই দেশের মানুষ পাশের দেশে ঠাই পেয়েছিলো?!
এমনকি একজন মুসলিম রোহিঙ্গার সন্তান জন্মদানের অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়েছে। তারা সরকারী অনুমোদন ছাড়া বিয়ে করতে পারে না, যদি সরকারী অফিসারকে মোটা অংকের ঘুষ না দেয় তাহলে এটাও সচরাচর সম্ভব হয় না। আমেরিকান ফটোগ্রাফার গ্রেগ কনস্টানটাইন সম্প্রতি একটি বই প্রকাশ করেছেন সাদাকালো ফটোগ্রাফির যার শিরোনাম, “Exiled to Nowhere: Burma’s Rohingya”। তিনি একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন, ২০ বছর বয়স্ক খাসিদা, যে নিজের জীবন বাঁচাতে তার স্বামীকে নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল। বার্মা কর্তৃপক্ষ তার বিয়ের অধিকারকে অস্বীকার করেছে, কিন্তু যখন তারা দেখল যে মেয়েটি গোপনে বিয়ে করেছে এবং সে গর্ভবতী তখন মায়ানমার সরকার তার পরিবারের সকল অর্থ আত্মসাৎ করল, গবাদি পশু, গরু ও ছাগল গুলোও নিয়ে নিল। তারা খাসিদাকে জোর করে গর্ভপাত করাল। তাকে বলা হয়েছিল, “এটা তোমার দেশ নয় ! তোমার কোন অধিকার নেই এখানে সংখ্যাবৃদ্ধি করার”।
......১৯৪৮ সালে যখন ব্রিটেনের কাছ থেকে মায়ানমার স্বাধীনতা লাভ করলো তখন থেকে মায়ানমারের বৌদ্ধরা এ ধরণের অপরাধ সংঘটিত করে আসছে দশকের পর দশক ধরে অনেক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ও নৃতাত্তিক গোষ্ঠীর উপর।
হিংস্র হয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা আর তাঁদের ঠাই দেওয়া এই পারের অশিক্ষিত, অজ্ঞ রক্ত গরম মুসলিমরা যে প্রতিক্রিয়াহীন হয়ে বসে নাও থাকতে পারে, এটা আমাদের সরকার আর বিজ্ঞ বিজ্ঞ নবী- পয়গম্বর সমতুল্য বুদ্ধিজীবীরা চিন্তাও করতে পারেন নাই বোলে দাবী করছেন! চিন্তা ওনারা করবেন কি করে রোহিঙ্গারা তো আর মানুষ না ওনাদের কাছে...... ওরা তো শ্রেফ মুসলমান......... আর তাইতো পৃথিবীর কোঁথাও কনও অমানুষ মুসলমানরা বছরে পর বছর কচু কাটা হলে ওনাদের কলম চলে না! চলবেই বা কেন? পয়সার ঝনঝনানি যে ঐ সমস্ত অমানুষ মুসলমানদের বিরুদ্ধে লেখলে!
এই সমস্ত বুদ্ধিজীবীদের কাতারে সামিল হওয়ার জন্য যারা এখন সুযোগটাকে কাজে লাগাতে উঠে পড়ে লেগেছে তাঁদের মনে রাখতে হবে, এই রকম এক চোখা নীতি নিয়ে চললে সামনে আরও সুযোগ অপেক্ষা করছে। আর যদি দু'চোখ খোলা নীতির মন্ত্র আয়ত্ত করা যায় তবে সামনে আর সুযোগ পাবেন না। অর্থাৎ এ'রকম বীভৎস অনইস্লামিক ঘোটনা ঘটবে না। আর যদি খাঁটি বাঙ্গালী মুসলমানের মতো এই সহজ কথা বুঝে না আসে তবে আজকের প্রথম আলো পত্রিকায় শ্রদ্ধেয় আনিসুল হক সাহেবের এই লেখাটা পড়ে নেন
ইউটিউব কি আমরা দেখব না?
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা......... বাঙ্গালী মুসলমান!
যে মুসলমানিত্তের সাথে কোরআনের তথা প্রকৃত মুসলমানের কনও মিল নেই। শুধু নামেই মুসলমান!মিথ্যা, শঠতা, কপটতা, হিংসা, পরনিন্দা, আত্ম প্রশংসা, তৈল মর্দন, মূর্খতা (যে জানে না সে মূর্খ না, যে জানতে চায় না, সে মূর্খ-সক্রেটিস) অপরের সম্পদ অন্যায় ভাবে আত্মসাৎ করা,মেয়েদেরকে যতভাবে সম্ভব নীচে নামানো ও হেনস্থা করা,
সম্পত্তির ভাগ না দেওয়া ইত্যাদি হচ্ছে এই দেশের মুসলমানদের কাজের তথা আমলের পরিচয়। অন্যের জায়গা জমি, বাসা- দোকান গায়ের জোরে দখল করার কথা না হয় নাই বললাম......এই মুসলমান আর ইসলাম তো আমি কোরআন আর হাদিসে আতি-পাঁতি করে খুঁজেও পেলাম না! পেলাম উলটা টা............
মুসলমানের কনও অভাব এই দেশে নেই! যতো অভাব ইসলামের!
প্রসঙ্গ-৩
যার মোবাইল রিং টন এ শূরা, হামদ, নাত থাকে,সে হচ্ছে মহা টাউট! অন্তত আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে......... দারি, টুপি, আলখেল্লা হচ্ছে নিজেকে ফেরেশতা প্রমাণ করার লেবাস!
প্রয়োজন ছারাই অথবা সামান্য কারণে ঋণ করা, সেই ঋণ শোধ না করার নানান তালবাহানা...... টাকা ধারের নামে নিয়ে শোধ না করাটা মস্ত বড় বাহাদুরি......... এটা যে একটা ফাইন আর্ট, বিশ্ব চাইলে এই জ্ঞানটা আমরা মুফতে দিতে পারি। রাষ্ট্রীয় ভাবে এই কাজে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সহযোগিতা করা হয়! মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিয়ে এই অফারটা দিয়ে দেখতে পারেন, যারা বিদেশে আছেন.........
অপ্রয়োজনে সাধারণ আইন ভঙ্গ করে( যেমন ট্রাফিক আইন) বুক ফুলিয়ে হাঁসতে হাঁসতে গলাবাজি করায় আমাদের কনও জুরী নেই! একজন শিক্ষিত ও একজন অশিক্ষিত,সু্টেট-বুটেট ও প্রায় উলঙ্গ একজন খেটে খাওয়া ড্রাইভার আর একজন ধনী, শিক্ষিত ড্রাইভারের মধ্যে সামান্যতম তফাৎ নেই! প্রমাণ চান?
জাহাঙ্গীর গেটের ভিতর আর বাহিরে তাদের এটিচুডটা লক্ষ করলেই পেয়ে যাবেন।
প্রসঙ্গ-৪
রাস্তাতেও একই ......... যেন পথিকের জন্য কনও আইন এই দেশে নেই, থাকলেও তা মানা মহা অন্যায়......... কি ভবঘুরে বা ভিখারি, পুরুষ- মহিলা, চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী, ছাত্র- অছাত্র,সবাই একতা বদ্ধ এবং সুশৃঙ্খল ভাবে আইন ভঙ্গ করে চলছে!
ট্রাফিকের সার্জেন আর হাবিলদাররা যে কি ভাবে এতো কঠিন ধৈর্যের পরিচয় দেয়, একমাত্র আল্লাহ পাক জানেন.........
ছাত্রদের কথা যতো কম ভাবা যায় ও বলা যায় ততোই ভালো.........মূর্তিমান আতঙ্ক!?
সবার আগে একটা মহা সংস্কার দরকার......... তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদদের, মসজিদের ইমামদের, মাদ্রাসার, ইসলাম প্রচারকারী আর আমাদের সবার প্রিয় হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর থেকেও বড় বড় আল্লাহ প্রেমী হজরত হজরত হজরত পীরদের......... এটা শুধু এই দেশে না...... ভারত পাকিস্তান সব খানেই......
তারপরই সাধারণ মানুষ এবং ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা বুঝবে ১৪ বছরের মালালার আহত হওয়া কেন এতো বড়, আর কেনইবা ১৬ বছরের আবদুর রহমান আল আওলাকির ১৭ বছর বিনা বিচারে আমেরিকার দারা জেল খাটাতা তুচ্ছ!কোনটা রাজনীতি আর কোনটা ধর্ম নীতি......
যেমন বীজ, ফল তো তেমনি হবে......... না কি ভুল বললাম কিছু! ভুল কিছু বলে থাকলে, কড় জোরে মাফ চাচ্ছি.........
আজকাল তো আবার ভালো কথা বলা আর করাটা মহা অন্যায় এই সমাজে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)